Connect with us

অন্যান্য খেলা

ইতিহাস গড়লেন গুকেশ

Published

on

রে স্পোর্টজ নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব দাবায় ইতিহাস লিখলেন ভারতীয় দাবারু ডি গুকেশ। কানাডায় ক্যান্ডিডেটস দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বজয়ীকে চ্যালেঞ্জের যোগ্যতা অর্জন করলেন তিনি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ দাবারু হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। এর আগে ভারতীয় দাবারুদের মধ্যে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন বিশ্বনাথন আনন্দ। ১৪ রাউন্ডের প্রতিযোগিতার পর ভারতীয় সময় সোমবার ভোরে চ্যাম্পিয়ন হন গুকেশ। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ডিং লিরেনকে চ্যালেঞ্জ জানাবেন গুকেশ। লিরেনকে হারাতে পারলে কনিষ্ঠতম হিসাবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবেন তিনি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য খেলা

অলিম্পিকের আগে ফরাসি ওপেন জিতে ভরসা দিচ্ছেন সাত্ত্বিক-চিরাগ…

Published

on

রে স্পোর্টজ নিউজ ডেস্কআসন্ন অলিম্পিক গেমসের আগে ভারতীয় ক্রীড়া প্রেমীদের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন ব্যাডমিন্টন জুটি সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি। দ্বিতীয়বারের জন্য ফরাসি ওপেন চ্যাম্পিয়ন হলেন তাঁরা। স্ট্রেট গেমে মাত্র ৩৭ মিনিটে জয়লাভ করল এই জুটি। ২১-১১, ২১-১৭ ফলাফলে তাঁরা হারালেন প্রতিপক্ষ চাইনিজ তাইপে জুটি লি ঝে ও হুয়েই ইয়াংকে। 

ফাইনালে নামা থেকেই আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে ছিলেন সাত্ত্বিক-চিরাগকে। প্রথম গেমের শুরুতে লড়াই তুল্য মূল্য হলেও, অষ্টম পয়েন্ট থেকে এগিয়ে যায় এই ভারতীয় জুটি। প্রথমে ৮-৪ এবং তারপরে বাড়িয়ে ব্যবধান ১১-৫ করে নেন তাঁরা। এরপরে ধীরে ধীরে ১৫-৮, ১৮-১০ থেকে শেষ পর্যন্ত ২১-১১ প্রথম গেম জিতে যান চিরাগেরা।

যদিও দ্বিতীয় গেমে ভারতীয় দুটিকে ভালোই লড়াই দেন চাইনিজ তাইপের লি ঝে ও হুয়েই ইয়াং। একসময় ১৩-১১ ফলে এগিয়েছিলেন তাঁরা। তবে বিশ্বের এক নম্বর ভারতীয় পুরুষ জুটি অনবদ্য কাম ব্যাক করে। পরপর ছটি পয়েন্টের মধ্যে পাঁচটি জেতেন সাত্ত্বিকেরা। তারপর একবার লিড নেওয়ার পরে আর পেছনে ফিরে তাকাননি তাঁরা। ২১-১৭ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে দ্বিতীয়বারের জন্য ফরাসি ওপেন চ্যাম্পিয়ন হলেন ভারতের সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি। 

Continue Reading

অন্যান্য খেলা

সোনা অধরা, রুপোয় সন্তুষ্ট থাকতে হল সাত্ত্বিক-চিরাগকে

Published

on

রে স্পোর্টজ নিউজ ডেস্ক: সোনার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল ভারতীয় জুটির। মালয়েশিয়ান ওপেন সুপার ১০০০ সিরিজের ফাইনালে উঠেও সোনা জিততে পারলেন না সাত্ত্বিক-চিরাগ জুটি। ১৯৮৩ সাল থেকে পুরুষ এবং মহিলা সিঙ্গেল ও ডাবলস বিভাগে মালয়েশিয়ান ওপেনে ফাইনালে ওঠেনি কোন ভারতীয় জুটি। পুরুষদের ডাবলসে কোরিয়ান জুটিকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে সেই দীর্ঘ খরা কাটিয়েছেন ভারতীয় শাটলার জুটি। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। সোনা জেতার স্বপ্ন, স্বপ্নই থেকে গেল।

মালয়েশিয়ান ওপেনের ফাইনালে প্রথম গেমে বিস্বের ১ নম্বর চীনা জুটি ওয়াং চ্যাং ও লিয়াং ওয়েং এর বিরুদ্ধে দাপটের সঙ্গে খেলেছিলেন ভারতীয় জুটি। কিন্তু, দ্বিতীয় গেমে ঘুরে যায় খেলার মোড়। ২১-১৮ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয় চীন। তৃতীয় গেমেও ভারতের ওপর চাপ বাড়াতে থাকে তারা। অনেক চেষ্টা করেও পরাজিত হতে হয় সাত্ত্বিকসাইরাজ রাঙ্কি রেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি জুটিকে। ২১-১৭ ব্যবধানে তৃতীয় গেম জিতে সোনা ঘরে তোলে চীনা জুটি। এই নিয়ে মোট পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে এই দুই জুটি, যার মধ্যে চারবারই ভারত জুটিকে হারতে হয়েছে চীনা প্রতিপক্ষের কাছে। তবে নিঃসন্দেহে মালয়েশিয়ান ওপেনের ফাইনালে ওঠা আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে বিশ্বের দুই নম্বর সাত্ত্বিক-চিরাগদের। এখন তাদের লক্ষ্য ইন্ডিয়ান ওপেন।

Continue Reading

অন্যান্য খেলা

২০৩৬ অলিম্পিককে মাথায় রেখে ৬০০০ কোটি টাকার ক্রীড়া পরিকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা গুজরাতের…

Published

on

রে স্পোর্টজ নিউজ ডেস্ক: ২০৩৬ অলিম্পিকের কথা মাথায় রেখে গুজরাত সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হল বড় পদক্ষেপ। ৬,০০০ কোটি টাকা মূল্যের ছয়টি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য গঠন করা হয়েছে একটি আলাদা কোম্পানি। মঙ্গলবার সামনে আসা তথ্য অনুযায়ী গুজরাত অলিম্পিক প্ল্যানিং এন্ড ইনফ্রাসট্রাকচার কর্পোরেশন লিমিটেড নামের কোম্পানিটি গঠিত হয়েছে তিন মাস আগে। গুজরাতের এক সরকারি আধিকারিকের বয়ান থেকে জানা গেছে ইতিমধ্যে একটি বোর্ড মিটিংও অনুষ্ঠিত হয়ে গিয়েছে।

মঙ্গলবার গান্ধীনগরে গুজরাত ট্রেড শো ২০২৪-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এখানেই সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয় কোম্পানির কথা। সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “নিজের দেশে অলিম্পিক আয়োজনের যে স্বপ্ন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি মনের মধ্যে পোষণ করেছেন তাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার কথা মাথায় রেখেই আমেদাবাদের মোতেরা অঞ্চলে ৩৫০ একর জমির উপর অবস্থিত সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল স্পোর্টস কমপ্লেক্সকে আরও উন্নত করার কথা আমরা ভেবেছি। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী এখানে মোট ৬টি স্পোর্টস কমপ্লেক্স গড়ে তোলার ইচ্ছে রয়েছে। বিডিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন ফার্মকে এই কাজে নিযুক্ত করা হবে। তাদের উপর দায়িত্ব থাকবে জায়গাটির পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি কমপ্লেক্সের ক্রীড়া পরিকাঠামোর খসড়া নির্মাণ করার। আমরা আশা রাখছি আগামী ২০৩০ এর মধ্যেই এই কাজ সম্পন্ন হবে। যাতে ২০৩৬ অলিম্পিকে ভারত আয়োজক হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে পারে।” গত বছর ডিসেম্বরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে দুবার সাক্ষাৎ করেছিলেন এই বিষয়ে।

Continue Reading

Trending