Connect with us

ফুটবল

FIFA WC 2026: ভাইকিং সাজে শুরু নরওয়ের বিশ্বকাপ যাত্রা

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : বিশ্বকাপের আগে সাধারণত জাতীয় দলগুলোর অফিসিয়াল ফটোশুট মানেই ঝকঝকে জার্সি, সাজানো স্টুডিও কিংবা বিমানবন্দরের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে ক্যামেরাবন্দি হওয়া। কিন্তু নরওয়ে সেই চেনা ছক ভেঙে এমন এক ছবি তুলে ধরল, যা শুধুমাত্র একটি ফুটবল দলের গ্রুপ ফটো নয়, বরং একটি জাতির ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং আত্মপরিচয়ের প্রতীক হয়ে উঠতে চলেছে।
২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে নরওয়ে। ১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে খেলতে নামবে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশটি। স্বাভাবিকভাবেই গোটা দেশের আবেগ এখন বিশ্বকাপকে ঘিরে। সেই আবেগকে আরও শক্তিশালী করে তুলতেই এক অভিনব পরিকল্পনা নেয় নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশন।
প্রথমে ভাবা হয়েছিল, বিশ্বজুড়ে আলোচিত তারকা ফুটবলার আর্লিং হালান্ডকে কেন্দ্র করেই তৈরি হবে প্রচারের মূল আকর্ষণ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছবির গল্প অন্যদিকে মোড় নেয়। বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ আলোকচিত্রী ডেভিড ইয়ারো সিদ্ধান্ত নেন, শুধুমাত্র হালান্ড নয়, পুরো দলকেই গল্পের কেন্দ্রে রাখবেন তিনি।
ফলাফল? এক মহাকাব্যিক ফটোশুট।
নরওয়ের বিখ্যাত ফিয়র্ড অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয় ২৬ জন ফুটবলারকে। সেখানে আধুনিক ফুটবলারের বদলে তারা যেন কয়েক শতাব্দী আগের ভাইকিং যোদ্ধা। কারও হাতে ঢাল, কারও হাতে কুঠার, কারও কাঁধে যুদ্ধের অস্ত্র। মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঐতিহ্যবাহী ভাইকিং পোশাকে সজ্জিত হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন নরওয়ের বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সদস্যরা।
ফটোটির নামও রাখা হয়েছে—“ভাইকিংরা আসছে”।
এই ছবির পেছনের গল্প আরও আকর্ষণীয়। ২০২৩ সালে আন্তর্জাতিক বিরতির সময় একক ফটোশুটে হালান্ডকে ভাইকিং রূপে ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন ইয়ারো। অসলোর একটি ফিয়র্ডের জলে কোমরসমান দাঁড়িয়ে থাকা হালান্ডের সেই ছবি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
সেই অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে ডেভিড ইয়ারো বলেন, “বিশ্বের এমন একজন ক্রীড়াবিদকে যদি বেছে নিতে হয়, যার ভাইকিংয়ের মতো দেখতে হওয়ার জন্য খুব একটা চুল বা মেকআপের প্রয়োজন নেই—তবে তিনি হলেন আর্লিং হালান্ড।”
হালান্ডের স্বর্ণাভ চুল, লম্বা চেহারা এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ান বৈশিষ্ট্য এমনিতেই তাঁকে আধুনিক যুগের ভাইকিংয়ের মতো করে তোলে। তাই সেই ফটোশুটের পর থেকেই নরওয়ের ফুটবল মহলে আরও বড় কোনও পরিকল্পনার ভাবনা শুরু হয়েছিল।
বিশ্বকাপ নিশ্চিত হওয়ার পর সেই ভাবনাই বাস্তবে রূপ নেয়।

ফুটবল

ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের আসরে ভারত, ১৪ জনের দল ঘোষণা বিবিয়ানোর

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও উৎসব ২০২৬-এ অংশ নিতে চলেছে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৫ পুরুষ ফুটবল দল। আগামী ২৪ থেকে ৩১ অক্টোবর আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতা। তার আগে ১৪ সদস্যের ভারতীয় দল ঘোষণা করলেন কোচ বিবিয়ানো ফার্নান্ডেজ।
প্রতিযোগিতার গ্রুপ ‘কে’-তে রয়েছে ভারত। তাদের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে বাহরাইন, ক্যামেরুন, গ্রেনাডা, লাওস ও সেনেগাল। ২৪ অক্টোবর লাওসের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ খেলবে ভারত। পরের দিন ক্যামেরুন ও গ্রেনাডার মুখোমুখি হবে তারা। ২৬ অক্টোবর ভারতের প্রতিপক্ষ বাহরাইন ও সেনেগাল। অর্থাৎ, যোগ্যতা অর্জন পর্বে তিন দিনে পাঁচটি ম্যাচ খেলতে হবে ভারতকে।
ভারতীয় দলের গোলরক্ষক ধন্যা দেশাই ও জেনিত নিংথৌজাম। রক্ষণভাগে রয়েছেন বিরজিত সিং আমোম, মহম্মদ সোহেল খান, নারা মেইতেই লুশাম্বাম, প্রথম কুমার ও সৌমোজিৎ সরকার। মাঝমাঠে খেলবেন সি লালমিংরোপুইয়া, দীপক সিং আরামবাম, নিবাশ মেইতেই ওয়াহেংবাম, আর লালরেমরুয়াতফেলা এবং ভিক্টর লালাওমপুইয়া। আক্রমণভাগে ম্যাকডনিশ ঙাইরাংবাম ও রোনানদেব আহেইবামকে বেছে নিয়েছেন কোচ।
প্রতিযোগিতার প্রস্তুতিতে গত সপ্তাহে দোহায় অ্যাসপায়ার অ্যাকাডেমির অনূর্ধ্ব-১৫ দলের বিরুদ্ধে দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে ভারত। দু’টি ম্যাচই ২-২ গোলে শেষ হয়। এরপর দিল্লিতে শিবির চালিয়ে আজারবাইজানের উদ্দেশে রওনা দেয় দল।
বিবিয়ানো জানিয়েছেন, সাহস, শৃঙ্খলা ও আগ্রাসনের সঙ্গে প্রতিটি ম্যাচে লড়াই করাই দলের লক্ষ্য। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক মঞ্চে খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা অর্জনের উপরেও জোর দিচ্ছেন তিনি।
এই প্রতিযোগিতায় ১৮৯টি জাতীয় দল ৩২টি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। ম্যাচগুলি হবে আটজনের দল নিয়ে। যোগ্যতা অর্জন পর্বের ফলের ভিত্তিতে দ্বিতীয় পর্যায়ে ছ’টি স্তরে ভাগ করা হবে দলগুলিকে। প্রতিটি স্তরের বিজয়ী দলকে সম্মানিত করা হবে। ‘এ’ স্তরের চ্যাম্পিয়ন পাবে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও উৎসব ২০২৬-এর শিরোপা।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ফুটবল

UCL 2026/27: শেষ সাত মিনিটে তিন গোল, রোমার মাঠে রিয়ালের অবিশ্বাস্য জয়

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : ম্যাচের ৮২ মিনিটেও ১-৩ গোলে পিছিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। হার তখন প্রায় নিশ্চিত। কিন্তু শেষ সাত মিনিটে তিন গোল করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল হোসে মরিনহোর দল। স্তাদিও অলিম্পিকোয় রোমাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিল রিয়াল।বুধবার রাতে রোমার মাঠে এই ম্যাচটি মরিনহোর কাছে ছিল বিশেষ। ২০২১-২২ মরসুমে রোমাকে কনফারেন্স লিগের শিরোপা জিতিয়েছিলেন পর্তুগিজ কোচ। প্রাক্তন কোচের প্রতি সম্মান জানিয়ে গ্যালারিতে একাধিক ব্যানার প্রদর্শন করেন রোমার সমর্থকেরা। কিন্তু শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় জয় উদ্‌যাপনের সুযোগ পেলেন না তাঁরা।

ম্যাচের ২০ মিনিটে মার্তেন ডে রুনের গোলে এগিয়ে যায় রোমা। মাতিয়াস সুলের পাস পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে প্রথম ছোঁয়ায় দুরন্ত শটে বল জালে জড়ান ডে রুন। তবে পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সমতা ফেরায় রিয়াল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজের শততম ম্যাচ খেলতে নামা কিলিয়ান এমবাপের শট রোমার জিয়ানলুকা মানচিনির গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে ঢুকে যায়। ইউরোপের সেরা ক্লাব প্রতিযোগিতায় এটি ছিল এমবাপের ৭২তম গোল।দ্বিতীয়ার্ধে ছয় মিনিটের ব্যবধানে দু’গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে রোমা। ৫১ মিনিটে ডোনিয়েল মালেনের শট ফেদেরিকো ভালভার্দের গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়। ২-১ গোলে এগিয়ে যায় রোমা। এর পর ৫৭ মিনিটে মালেনের দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান বেড়ে হয় ৩-১। প্রথমে অফসাইডের পতাকা উঠলেও ভিডিও সহকারী রেফারির পর্যালোচনার পরে গোলের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

ম্যাচের শেষ ভাগে একের পর এক বদলি নামিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে রিয়াল। ৮৩ মিনিটে এন্দ্রিকের হেড থেকে ফিরে আসা বলে গোল করে ব্যবধান কমান কার্লোস এস্পি। দু’মিনিট পর আর্দা গুলেরের কর্নার থেকে হেডে ৩-৩ করেন এন্দ্রিক। তখনও নাটকের শেষ হয়নি। ৯০ মিনিটে গুলেরের আরও একটি সেট-পিস থেকে কাছ থেকে ভলিতে বল জালে পাঠান রুডিগার। ১-৩ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানে অবিশ্বাস্য জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।

দুই ম্যাচে দু’টি জয় নিয়ে গোলপার্থক্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের তালিকায় আট নম্বরে রয়েছে রিয়াল। অন্য দিকে, একটি ড্র ও একটি হারে দু’ম্যাচে এক পয়েন্ট নিয়ে ২৫ নম্বরে রোমা।

Continue Reading

আইএসএল

বাউলির জোড়া গোলে জয় পঞ্জাবের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েবডেস্ক: আইএসএল ২০২৬-২৭ মরশুমের প্রথম ম্যাচেই নাটকীয় জয় তুলে নিল পাঞ্জাব এফসি। বুধবার নয়াদিল্লির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে ওড়িশা এফসিকে ২-১ গোলে হারাল পঞ্জাব। দুই অর্ধের দুই প্রান্তে গোল করে দলের জয়ের নায়ক মেসি বাউলি।
ম্যাচের প্রথম মিনিটেই পঞ্জাবকে এগিয়ে দেন বাউলি। মহম্মদ উবেসের বাড়ান বল ডান পায়ে জালে জড়িয়ে দেন তিনি। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১৫ মিনিটে লালথাথাঙ্গা খাওলহরিংয়ের কর্নার থেকে থোইবা মইরাংথেমের হেডে সমতা ফেরায় ওড়িশা। প্রথমার্ধে দুই দলই গোলের সুযোগ তৈরি করলেও আর ব্যবধান বাড়েনি।
দ্বিতীয়ার্ধেও লড়াই চলে সমানে সমানে। জর্জি আবুরজানিয়ার শট অল্পের জন্য বাইরে যায়। অন্য দিকে, আলফ্রেড প্লানাসের ক্রস থেকে বৌলির সুযোগ কাজে লাগেনি। পঞ্জাবের একাধিক আক্রমণ আটকে দেন ওড়িশার গোলকিপার হৃতিক তিওয়ারি। শেষ দিকে রহিম আলি ও স্টিফেন এজের হেডে বিপদ তৈরি হলেও পাঞ্জাব গোলকিপার অর্শদীপ সিং দলকে রক্ষা করেন।
ম্যাচের সংযুক্ত সময়ে জ্বলে ওঠেন মেসি। বিশাল যাদবের পাস ধরে ৯০+৫ মিনিটে বাঁ পায়ে বল জালে পাঠিয়ে পাঞ্জাবের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। প্রথম মিনিটের গোলের পর একেবারে শেষ মুহূর্তে দ্বিতীয় আঘাত মেসির দাপটে তিন পয়েন্ট নিয়েই আইএসএল অভিযান শুরু করল পঞ্জাব এফসি।

Continue Reading

Trending