Connect with us

ফুটবল

FIFA WC 2026: চল্লিশে ভোজিনহার জাদু, স্পেনকে রুখে ইতিহাস লিখল কেপ ভার্দে

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: বিশ্বকাপের মঞ্চে একদিকে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন, অন্যদিকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে নামা কেপ ভার্দে। শক্তির বিচারে দুই দলের মধ্যে ছিল বিস্তর ফারাক। তবে মাঠের লড়াইয়ে সেই হিসাব উল্টে দিয়ে ইতিহাস গড়ল আফ্রিকার দেশটি। গ্রুপ ‘এইচ’-এর ম্যাচে স্পেনকে ০-০ গোলে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপ অভিষেক স্মরণীয় করে রাখল কেপ ভার্দে।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখে স্পেন। স্বভাবসুলভ পজিশনাল ফুটবল খেলতে খেলতে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল একের পর এক আক্রমণ শানায়। মাঝমাঠে পেদ্রির নেতৃত্বে খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করলেও শেষ তৃতীয়াংশে গাভি, মিকেল ওয়ারজাবাল এবং ফেরান তোরেসের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত সমন্বয়ের অভাব স্পষ্ট ছিল।

প্রথমার্ধে গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছেছিল স্পেন ৩৮ ও ৪৪ মিনিটে। দু’বারই গোলের সামনে সুযোগ পেয়েছিলেন ফেরান তোরেস। কিন্তু দুই ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হন তিনি। ফলে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখিয়েও বিরতিতে গোলশূন্য অবস্থায় মাঠ ছাড়তে হয় স্পেনকে।

তবে প্রথমার্ধের আসল নায়ক ছিলেন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা। অভিজ্ঞ এই গোলকিপার দুর্দান্ত রিফ্লেক্স, নিখুঁত অ্যান্টিসিপেশন এবং অসাধারণ শট-স্টপিং দক্ষতায় বারবার স্পেনের আক্রমণ প্রতিহত করেন। তাঁর দৃঢ়তায় আত্মবিশ্বাস পায় কেপ ভার্দের রক্ষণভাগও।

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার আরও বাড়ানোর চেষ্টা করেন দে লা ফুয়েন্তে। গাভির জায়গায় নামানো হয় তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালকে। পরে ড্যানি ওলমো এবং নিকো উইলিয়ামসকেও মাঠে নামানো হয়। কিন্তু স্পেনের আক্রমণভাগে নতুন শক্তি যোগ হলেও ভাঙা যায়নি কেপ ভার্দের রক্ষণদুর্গ। ভোজিনহা ও তাঁর ডিফেন্ডাররা অসাধারণ শৃঙ্খলা বজায় রেখে প্রতিটি আক্রমণ প্রতিহত করেন।

অন্যদিকে কেপ ভার্দে খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে না পারলেও আত্মবিশ্বাসী ও সংগঠিত ফুটবল খেলেছে। নিজেদের পরিকল্পনায় অটল থেকে তারা স্পেনের আক্রমণের চাপ সামলে নেয় এবং মূল্যবান এক পয়েন্ট নিশ্চিত করে।

শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল। তবে ফলাফলটি কেপ ভার্দের জন্য জয়ের সমান। বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচেই স্পেনের মতো অন্যতম ফেভারিট দলকে রুখে দিয়ে ইতিহাস গড়ল তারা। ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে ভোজিনহার হাতে। আর এই অপ্রত্যাশিত ড্রয়ের ফলে গ্রুপে স্পেনের পরবর্তী পথ কিছুটা কঠিন হয়ে গেল, বিশেষ করে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে তাদের পরের ম্যাচ এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ফুটবল

মেসির গোল নেই, শেষ মুহূর্তে বাঁচল মায়ামি!

Published

on

রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: লিয়োনেল মেসির গোলের অপেক্ষা বাড়ল। সিনসিনাটির বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র করল ইন্টার মায়ামি। বৃহস্পতিবারের এই ড্রয়ের ফলে মেজর লিগ সকারের ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ওঠার লড়াই আরও কঠিন হল মায়ামির। যদিও শেষ মুহূর্তে রিকেলমে ফিলিপির গোলে হার এড়াল তারা।
ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে চারটি গোল হয়। ৬১ মিনিটে লুই সুয়ারেসের গোলে এগিয়ে যায় মায়ামি। তবে ম্যাচের শেষ দিকে ঘুরে দাঁড়ায় সিনসিনাটি। ৮০ মিনিটে কেনজি ডেম এবং ৮৬ মিনিটে স্যামুয়েল গিডির গোলে এগিয়ে যায় তারা। মায়ামির হার প্রায় নিশ্চিত মনে হলেও ৯০ মিনিটে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান রিকেলমে ফিলিপি। শেষ পর্যন্ত ২-২ ফলেই শেষ হয় ম্যাচ।
অন্যদিকে নিউ ইয়র্ক রেড বুলসকে ৩-২ গোলে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে নিউ ইংল্যান্ড রেভোলিউশন। ৩২ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৫৮। সমসংখ্যক ম্যাচে ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে মায়ামি। শীর্ষে থাকা নাশভিলের সংগ্রহ ৭১ পয়েন্ট।
ইতিমধ্যেই ইস্টার্ন কনফারেন্সের শীর্ষে থেকে সাপোর্টার্স শিল্ড জিতেছে নাশভিল। তবে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করার সুযোগ এখনও রয়েছে মেসিদের সামনে। পরের ম্যাচে নিউ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে মায়ামি। সেই ম্যাচে জয় পেলেই দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসতে পারবে তারা।
চলতি লিগে ২৫টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে শীর্ষে রয়েছেন মেসি। দলকে সাফল্যের পথে ফেরাতে পরের ম্যাচে তাঁর দিকেই তাকিয়ে থাকবে মায়ামি।

Continue Reading

ফুটবল

ফের ধাক্কা! আফগানিস্তানের কাছে হার ভারতের…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে ফের হার ভারতের। বৃহস্পতিবার আজারবাইজানের বাকুতে প্রতিযোগিতার ৮১ থেকে ৮৮ স্থান নির্ধারণের কোয়ার্টার ফাইনালে আফগানিস্তানের কাছে ১-২ গোলে পরাস্ত হল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৫ দল। ভারতের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন নিবাস মেইতেই ওয়াহেংবাম। আফগানিস্তানের হয়ে গোল করেন মহম্মদ মুস্তাফা ও শাহজাদা সুলতানি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে ভারত। ষষ্ঠ মিনিটে পরপর কয়েকটি সুযোগও তৈরি করেছিল ব্লু কোল্টসরা। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি তারা। উল্টে ১৫ মিনিটে মুস্তাফার গোলে এগিয়ে যায় আফগানিস্তান। বাঁ দিক থেকে শাহজাদা সুলতানির ক্রস থেকে ভারতীয় ডিফেন্সকে পরাস্ত করে গোল করেন মুস্তাফা। ২৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় আফগানরা। ভারতের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে একক দক্ষতায় গোল করেন সুলতানি।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও লড়াই ছাড়েনি ভারত। ৩৭ মিনিটে রালরেমরুয়াতফেলার পাস থেকে গোল করে ব্যবধান কমান নিবাস। এরপর সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া চেষ্টা চালায় ভারতীয় দল। কিন্তু আফগানিস্তানের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। ফলে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় ব্লু কোল্টসদের।
এবার ভারতের সামনে কাজাখস্তান। হাঙ্গেরির কাছে হেরে যাওয়া কাজাখস্তানের বিরুদ্ধে ৮৫ থেকে ৮৮ স্থান নির্ধারণের সেমিফাইনালে খেলবে ভারত। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে শুরু হওয়ার কথা ম্যাচটির। DAZN-এ সরাসরি সম্প্রচারিত হবে সেই ম্যাচ।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

ড্র করে ক্লান্তিকেই দুষলেন হাবাস

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ দুইয়ের গ্রুপ পর্বে মাস্ট উইন ম্যাচে জয় অধরা ইস্টবেঙ্গলের। ওমানের ক্লাব আল সিবের বিরুদ্ধে ড্র করায় নকআউট পর্বে যাওয়ার লড়াই কঠিন হল লাল-হলুদের। এই ম্যাচ জিতলে পরের পর্বে যাওয়ার রাস্তা কিছুটা সহজ হত রামিরেজদের। দলের পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।

ম্যাচের পর হাবাস বলেন, “আমাদের দলের পারফরম্যান্স খারাপ হয়েছে। আমার মনে হয়, অতিরিক্ত ক্লান্তি আজকের ম্যাচে প্রভাব ফেলেছে। আমরা খেলার তীব্রতা ধরে রাখতে পারিনি। দ্রুত আক্রমণে ওঠার প্রক্রিয়াতেও ঘাটতি ছিল। ম্যাচের শুরুতে আমাদের পারফরম্যান্স ও খেলার তীব্রতা খুব ভাল ছিল। কিন্তু কলকাতার বাইরে দীর্ঘ সময় কাটানো এবং টানা এক সপ্তাহের সফরের ধকল সামলাতে হয়েছে। এখন দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়ে পরের ম্যাচের আগে উন্নতি করতে হবে। আমি একশো শতাংশ নিশ্চিত, পরের ম্যাচে দল নিজেদের সেরা ছন্দে ফিরে আসবে।” প্রতিপক্ষের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “ওদের পারফরম্যান্স ও খেলার তীব্রতা যথেষ্ট ভাল ছিল। ফলে আমাদের জন্য ম্যাচটা কঠিন হয়ে উঠেছিল।” দলের পরবর্তী লক্ষ্য নিয়ে হাবাসের বক্তব্য, “এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য বিশ্রাম নিয়ে পরের ম্যাচের জন্য তৈরি হওয়া। আমরা জিততে পারতাম, আরও ভাল খেলতে আমাদের লড়াই করতে হবে।”

তবে আল শর্টা ও আল হুসেইনের ম্যাচ ড্র হওয়ায় অবশ্য নতুন করে আশা দেখছে ইস্টবেঙ্গল। নকআউটে যেতে বাকি তিনটি ম্যাচেই জিততে হবে লাল-হলুদকে। আল সিব এবং আল হুসেইনের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে খেললেও আল শর্টার বিরুদ্ধে খেলতে হবে প্রতিপক্ষের মাঠে। ফলে কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে রাশিদদের সামনে ।

Continue Reading

Trending