Connect with us

ফুটবল

আরও দু’বছর পেত্রাতোস বাগানেই

Published

on

রে স্পোর্টজ নিউজ ডেস্ক – শেষ দুই মরশুম ধরেই মোহনবাগান জনতার নয়নের মনি দিমিত্রি পেত্রাতোস। আর হবেনই বা না কেন? শেষ দু’বার মোহনবাগান যে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ এবং ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তার পিছনে সবথেকে বড় ভূমিকা ছিল এই অস্ট্রেলীয় ফুটবলারটির। তাই নতুন মরশুমে তিনি দলে থাকছেন কিনা সেই ব্যাপারে সকলের মনেই একটা দ্বিধা দ্বন্দ্ব কাজ করছিল। প্রসঙ্গত গত মরশুমে শিল্ড জিতলেও, অল্পের জন্য আইএসএল ট্রফি ধরে রাখতে পারেনি মোহনবাগান। তবে গোটা মরশুমে মোহনবাগান আক্রমণ ভাগ যে এত ভালো পারফর্ম করেছিল, তার পিছনে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন পেত্রাতোস। তাঁর গোলই চির প্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ জিতেছিল মোহনবাগান। প্রথম বছর আইএসএলে এসেই সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন এই অজি ফুটবলারটি। ২৩ ম্যাচে ১২টি গোল এবং ৭টি অ্যাসিস্ট ছিল তাঁর। তারপরে গত মরশুমেও আইএসএলে ২৩টি ম্যাচে ১০টি গোল এবং ৭টি অ্যাসিস্ট করেন তিনি।

তাই মরশুমের শেষ থেকেই সমর্থকদের একটাই আবদার ছিল, দিমিত্রির যেন চুক্তিবৃদ্ধি করা হয়। প্রসঙ্গত গত ৩১মে তাঁর সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছিল মোহনবাগানের। এবার সমর্থকদের স্বস্তি দিয়ে দিমিত্রির সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি বৃদ্ধি করল সবুজ-মেরুন ম্যানেজমেন্ট। অন্যদিকে এ কথা সকলেরই জানা যে মোহনবাগান তাদের ডিফেন্স লাইনের দুই বিদেশি হেক্টর ইউস্তে এবং ব্রেন্ডন হ্যামিলকে ছেড়ে দিয়েছে। তাদের জায়গায় দলের ডিফেন্সের নতুন দুই স্তম্ভ হচ্ছেন আলবার্তো রড্রিগেজ এবং থমাস অ্যালড্রেড। ইতিমধ্যেই মঙ্গলবার সকালেই থমাসের নাম ঘোষণা করে দিয়েছে বাগান ম্যানেজমেন্ট।

ইস্টবেঙ্গল

নতুন মরশুমে মাঠ কাঁপাতে তৈরি ইমামি ইস্টবেঙ্গল

Published

on

রে স্পোর্টজ নিউজ ডেস্ক: একদিকে সাউন্ড বক্সে বাজছে ইস্টবেঙ্গলের গান। অন্যদিকে, সিঁড়ি দিয়ে একের পর এক নেমে আসছেন লাল-হলুদ তারকারা। অভিনব কায়দায় আসন্ন মরশুমের দলকে প্রকাশ্যে আনলেন ইমামি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এর আগে এমন দৃশ্য কলকাতা ফুটবল দেখেছে বলে মনে হয় না। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইমামি ইস্টবেঙ্গলের দুই কর্তা আদিত্য আগরওয়াল এবং বিভাস আগরওয়াল, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তরফে শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকার এবং ক্লাব সচিব রূপক সাহা ছিলেন। এছাড়াও লাল-হলুদ কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতও উপস্থিত ছিলেন।

ইমামি ইস্টবেঙ্গলের এই গর্বের দিনে কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত বললেন “সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। গত মরশুমে দলের সাফল্যটা ছিল সমর্থকদের কাছে একটা সারপ্রাইজ। কিন্তু এই বছর সমর্থকদের প্রত্যাশা বেড়েছে। আমরা আমাদের পূর্ণ শক্তি প্রস্তুত করছি। আমার কোচিং কেরিয়ারে ইস্টবেঙ্গল অন্যতম সেরা ক্লাব।”

ইমামি কর্তা আদিত্য আগারওয়াল বললেন “আমরা একটা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়েই ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলাম। সেই লক্ষ্যের দিকে আমরা ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছি। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গৌরবময় অতিত ফিরিয়ে আনতে চাই আমরা। এই বছর অনেক শক্তিশালী দল গঠন করেছি আমরা। আশা রাখছি সাফল্য আসবেই।”

Continue Reading

ফুটবল

চুক্তি বৃদ্ধি লোবেরার

Published

on

রে স্পোর্টজ নিউজ ডেস্ক: আরও এক মরশুমের জন্য চুক্তি বৃদ্ধি হল সার্জিও লোবেরার। ওড়িশার এফসির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হল ২০২৫-২৬ মরশুম পর্যন্ত কোচের পদে থাকছেন লোবেরা। ওড়িশার দায়িত্ব নিয়ে দলের চেহারা বদলে দিয়েছেন তিনি। তাই লোবেরার উপরেই ভরসা রাখছে ওড়িশা এফসি ম্যানেজমেন্ট।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

সমর্থকদের ভালোবাসার মর্যাদা দেব: তালাল

Published

on

সৌমজিৎ দে: মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে তখন সবে ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলন শেষ হয়েছে। গাড়িতে বেরিয়ে গেছেন লাল-হলুদের হেড কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত সহ বাকি সাপোর্ট স্টাফেরা। তারপরেই ধীরে ধীরে এগিয়ে আসতে দেখা গেল তাঁকে যার জন্য অধীর আগ্রহে অনুশীলনের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলেন বেশ কিছু ইস্টবেঙ্গল সমর্থক। তিনি মাদিহ্ তালাল। হাসিমুখে মাঠ ছাড়ার সময় দাঁড়িয়ে থাকা সকল লাল-হলুদ সমর্থকদের সঙ্গে সেল্ফি তোলার পাশাপাশি, বেশ কিছু খুদের জার্সিতে সইও করলেন তিনি।

মঙ্গলবার প্রায় মধ্যরাতে কলকাতায় এসেও, এদিন বিকেলে মূল দলের সঙ্গে চুটিয়ে অনুশীলন করলেন তালাল। বিমানবন্দরে প্রচন্ড ভিড়ের কারণে কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারলেও, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অনুশীলন শেষে রে স্পোর্টজের সঙ্গে একান্তে কথা বললেন লাল-হলুদের এই বিদেশি মিডফিল্ডার। তার কথা শুনে মনে হল বিমানবন্দরে পাওয়া দারুণ আতিথিয়তার ঘোর এখনও কাটেনি তালালের। তিনি বলেন,”আমি এমন অভ্যর্থনা কোথাও পাইনি। অত রাতেও এতজন মানুষ বিমানবন্দরে আমার জন্য উপস্থিত হয়েছিলেন। এই ভালোবাসা আমি কোনওদিন ভুলবো না। ওদের ভালোবাসার মর্যাদা দেওয়ার চেষ্টা করব।”

এদিন অনুশীলনেও চূড়ান্ত ফিট লাগল এই ফরাসি প্লে-মেকারকে। সেই রহস্য ফাঁস করে তালাল নিজেই জানালেন,”আমি ফ্রান্সেও নিজের ফিটনেস ধরে রাখার জন্য নিয়মিত অনুশীলন করেছি। তাই জেট ল্যাগ থাকা সত্ত্বেও মাঠে নেমে পুরো অনুশীলন করলাম। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে নিজের সেরাটা দেওয়াই আমার একমাত্র লক্ষ্য। এখন আমার প্রথম টার্গেট হল ডুরান্ড কাপ।” প্রসঙ্গত গত মরশুমে পঞ্জাব এফসির হয়ে নিজের শেষ ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলকে হারাতে অন্যতম বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন তালাল। সেই ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,”এখন আর ওসব মনে নেই। ওই ঘটনা আমার কাছে এখন অতীত। এবারে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে বাকিদের হারানোই আমার প্রধান লক্ষ্য।”

অন্যদিকে মঙ্গলবার অনুশীলনের শুরুতেই তালালকে বিশেষ অভ্যর্থনা জানান তাঁর নতুন সতীর্থরা। তারপরেই কিছুক্ষণ ফিজিকাল ট্রেনিং করে মূল দলের সঙ্গে জোরকদমে অনুশীলন শুরু করে দেন এই বিদেশি মিডফিল্ডার। সেট পিস থেকে বেশকিছু গোলও করতে দেখা যায় তাঁকে।

Continue Reading

Trending