আন্তর্জাতিক ফুটবল
‘৯০ মিনিট পরিকল্পনা মেনে খেলতে হবে’, ব্রাজিল ম্যাচের আগে বলছেন আকাশ মিশ্র
সৌম্যজিৎ দে, বেঙ্গালুরু পানামার বিরুদ্ধে ভারতের লড়াইয়ে দলের পারফরম্যান্সে আত্মবিশ্বাসী আকাশ মিশ্র। তাঁর মতে, বড় দলের বিরুদ্ধে সামান্য সময়ের জন্য মনঃসংযোগ হারালেই বিপদ হতে পারে। তাই ব্রাজিল ও উরুগুয়ের মতো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিজেদের পরিকল্পনা মেনে পুরো ৯০ মিনিট খেলাই লক্ষ্য। বেঙ্গালুরুতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের চোট থেকে প্রত্যাবর্তন, পানামা ম্যাচ এবং আসন্ন কঠিন লড়াই নিয়ে মুখ খুললেন ভারতীয় দলের ডিফেন্ডার।
প্রশ্ন: ACL চোটের পর আবার জাতীয় দলে ফেরা কতটা কঠিন ছিল?
আকাশ: চোটের সময়ে পরিবার, বন্ধু, সতীর্থ, কোচ এবং চিকিৎসকেরা আমাকে প্রচুর সাহায্য করেছেন। যখনই মন খারাপ হয়েছে, তাঁরা উৎসাহ দিয়েছেন। এই পুরো যাত্রায় তাঁদের অবদান অনেক।
প্রশ্ন: পানামার বিরুদ্ধে ভারতের পারফরম্যান্সে কী বদল দেখলেন?
আকাশ: এটা হঠাৎ করে হয়নি। আমরা সব সময়ই ভাল ফুটবল খেলতে চাই। বড় দলের বিরুদ্ধে কয়েক মুহূর্তের জন্য মনঃসংযোগ হারালেই গোল হয়ে যেতে পারে। পানামার বিরুদ্ধে সবাই ৯০ মিনিট পরিকল্পনায় মন দিয়েছিল। সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
প্রশ্ন: রায়ান উইলিয়ামসের পাস নিয়ে কী বলবেন?
আকাশ: অনুশীলনে আমরা এই ধরনের আক্রমণ বারবার করেছি। ফুল-ব্যাক থেকে উইঙ্গার, আবার মাঝখানে বল পৌঁছনোর বিষয়গুলো নিয়ে কাজ হয়েছে। বল নিজেদের কাছে রাখতে পারলে সুযোগ তৈরি করা সহজ হয়।
প্রশ্ন: রায়ান কী ভাবে দলের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন?
আকাশ: প্রথম দিন থেকেই ওকে আমাদেরই একজন মনে হয়েছে। ও খুব ভাল খেলোয়াড়, তার পাশাপাশি ভাল মানুষও। ড্রেসিংরুমে ওর সঙ্গে আলাদা কোনও দূরত্ব অনুভব হয় না। ও খুব সহজেই দলের পরিবেশের সঙ্গে মিশে গিয়েছে।
প্রশ্ন: পানামার বিরুদ্ধে ভারত জিততে পারত?
আকাশ: আমরা যে সুযোগগুলো তৈরি করেছি, তাতে জেতা সম্ভব ছিল। কিছু ভুলও হয়েছে। সেগুলো থেকে শিক্ষা নিতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, পরের ম্যাচগুলিতেও একই রকম মনঃসংযোগ ধরে রাখা।
প্রশ্ন: ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে কী পরিকল্পনা?
আকাশ: প্রতিপক্ষের বড় নাম নিয়ে বেশি ভাবলে হবে না। নিজেদের দল কী করবে, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। পরিকল্পনা ঠিক ভাবে প্রয়োগ করতে হবে, ৯০ মিনিট মনোযোগ ধরে রাখতে হবে এবং নিজেদের সেরাটা দিতে হবে। ফল কী হবে, সেটা পরে।
প্রশ্ন: কলকাতার সমর্থকদের জন্য বার্তা?
আকাশ: কলকাতার সমর্থকদের আবেগ সবাই জানে। ওঁরা মাঠে থাকলে দলের আলাদা একটা আত্মবিশ্বাস আসে। আশা করি ওঁরা স্টেডিয়ামে আসবেন। কলকাতায় দেখা হবে।
