আইএসএল

ISL 2025/26: প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে আবেগ নয়, জয়ের লক্ষ্যে আশিক কুরুনিয়ান

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: শনিবার ভারতীয় ফুটবলের এল ক্লাসিকো। বেঙ্গালুরু এফসির মুখোমুখি হবে মোহনবাগান। টানা চার ম্যাচে জয়ের পর এবার প্রথম অ্যাওয়ে ম্যাচে জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। অন্যদিকে, প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে আবেগ সরিয়ে রেখে, জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবেন আশিক কুরুনিয়ান। প্রাক-ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলনে আশিকের গলায় পেশাদারিত্বের সুর।

প্রশ্ন: আপনি আগে মোহনবাগানে খেলেছেন। প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামা নিয়ে আপনার অনুভূতি কী?
আশিক কুরুনিয়ান: এটা অন্য সব ম্যাচের মতোই। প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কার বিরুদ্ধে খেলছি সেটা বড় কথা নয়। আমাদের ভালো খেলতে হবে এবং জিততে হবে।

প্রশ্ন: শেষ ম্যাচে আপনি জয়সূচক গোল করেছেন। আগামী ম্যাচের জন্য বেঙ্গালুরু এফসি কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে?
আশিক কুরুনিয়ান: কোচ যেমন বলেছেন আমরা সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। ফুটবল এটা ১১ জনের খেলা। আমরা সবসময় যেমন সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি, তেমনই করতে হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে হবে। জিতলে আমরা তিন পয়েন্টই পাব, তাই পরিকল্পনা মেনে খেলাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন: মোহনবাগানের অনেক খেলোয়াড়ের সঙ্গে আপনি আগে খেলেছেন। ম্যাচটা কি আপনার জন্য আবেগঘন হবে?
আশিক কুরুনিয়ান: মোহনবাগানের সবাই আমার বন্ধু। আমি মোহনবাগান ক্লাবকে ভালোবাসি। কিন্তু এখন আমি বেঙ্গালুরু এফসির ফুটবলার। মাঠে কোনও আবেগের জায়গা নেই। কার বিরুদ্ধে খেলছি সেটা বড় কথা নয়, জেতার জন্যই মাঠে নামব।

প্রশ্ন: আপনি শেষ ম্যাচে গোল করেছেন এবং এবার ঘরের মাঠে খেলবেন। আবার গোল করার জন্য কি বাড়তি চাপ অনুভব করছেন?
আশিক কুরুনিয়ান: না, কোনো চাপ নেই। আমরা শুধু কোচের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে চাই এবং ১০০ শতাংশ দিতে চাই। সবাই যদি নিজেদের সেরাটা দেয়, তাহলে কোনো চাপ থাকবে না।

প্রশ্ন: বেঙ্গালুরু এফসিতে দ্বিতীয়বার ফিরে এসে কি আপনার ভূমিকা বদলেছে? এখন আপনি বেশি অভিজ্ঞ খেলোয়াড়।
আশিক কুরুনিয়ান: ফুটবলে প্রতিদিনই শেখার সুযোগ আছে। ৫০টা, ১০০টা বা ২০০টা ম্যাচ খেললেও শেখা শেষ হয় না। বয়সের দিক থেকে আমি এখন সিনিয়র, কিন্তু দলে আরও অনেক সিনিয়র এবং প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় আছে। সবাই মিলে ভালোভাবে কাজ করছি।

প্রশ্ন: দলের ড্রেসিংরুমের পরিবেশ কেমন?
আশিক কুরুনিয়ান: আমরা জিতলে একসঙ্গে থাকি, হারলেও একসঙ্গে থাকি। শুধু জয়ের সময় নয়, সব সময়ই আমরা একসঙ্গে থাকি। সিনিয়র ও জুনিয়র খেলোয়াড়দের মধ্যে খুব ভালো বন্ধুত্ব এবং বোঝাপড়া আছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version