ইস্টবেঙ্গল
সেরাদের সম্মানিত করল ভারতসেরা ক্লাব ইস্টবেঙ্গল
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠার পর ১০৭ বছরে পা দিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। শনিবার নজরুল মঞ্চে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হল ইস্টবেঙ্গল দিবস। সকাল থেকেই ক্লাব তাঁবুতে ছিল উৎসবের আবহ। প্রধান প্রতিষ্ঠাতা সুরেশচন্দ্র চৌধুরীর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে দিনের সূচনা হয়। এরপর ক্লাবের পতাকা উত্তোলন ও বিশেষ কেক কেটে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কর্তারা। উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন ফুটবলার, ক্লাব আধিকারিক, সদস্য ও সমর্থকেরা।সন্ধ্যায় নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ, প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, দলের প্রধান কোচ আন্তোনিও হাবাস-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। মঞ্চে উঠতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন সমর্থকেরা।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত করা হয় গায়ক রূপঙ্কর বাগচি, অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়কে। প্রসেনজিতের হাতে ‘সুপার অ্যাচিভার অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেন হাবাস। উদ্বোধনী ভাষণে ক্লাব সভাপতি মুরারি লাল লোহিয়া বলেন, “যতই তুফান আসুক, নৌকা ডুবে যাবে, কিন্তু মশাল জ্বলতে থাকবে।” পাশাপাশি হাবাসের নেতৃত্বে আরও ট্রফি জয়ের আশাও প্রকাশ করেন তিনি। ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ বলেন, “শুধু আইএসএল নয়, ইস্টবেঙ্গল সব লিগ ও ট্রফি জিতুক।”
এদিন ‘ভারত গৌরব’ সম্মানে ভূষিত হন অর্থনীতিবিদ সঞ্জীব সান্যাল ও সুরকার প্রীতম চক্রবর্তী। তাঁদের আজীবন সদস্যপদও দেয় ক্লাব। সম্মান গ্রহণ করে সঞ্জীব সান্যাল পুরনো স্মৃতির কথা তুলে ধরেন। প্রীতম বলেন, ছোটবেলায় কখনও মাঠে, কখনও রেডিওয় ইস্টবেঙ্গলের খেলা দেখেছেন। এরপর তিনি গানও পরিবেশন করেন। এছাড়া জীবনকৃতি সম্মান পান বলাই মুখোপাধ্যায় ও তরুণ দে। বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন আনোয়ার আলি ও সাথী দেবনাথ, সেরা কোচ বিনো জর্জ এবং এমার্জিং প্লেয়ার এডমুন্ড লালরিনডিকা। সব মিলিয়ে লাল-হলুদ আবেগে ভরপুর এক স্মরণীয় সন্ধ্যার সাক্ষী থাকল নজরুল মঞ্চ।
