ক্রিকেট
থানায় অভিযোগ দায়ের হার্দিকের বিরুদ্ধে
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: বিতর্কের সাথে হার্দিক পান্ডিয়ার সম্পর্ক অনেক পুরনো। আগে বেফাঁস মন্তব্য করে সমালোচিত হয়েছেন তিনি। তবে বরাবরই উত্তর দিয়েছেন ক্রিকেটের মাঠে নিজের পারফরমেন্স দিয়ে। এবার ফের তাকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। তবে বিষয়টি আর থেমে থাকেনি শুধুমাত্র সমালোচনায়। রীতিমতো আইনের দ্বারস্থ হয়ে তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলেই জানা গেছে।
ওয়াজিদ খান নামের এক আইনজীবী হার্দিক পান্ডিয়ার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পর মাঠে জয় উদযাপনে মেতে ছিলেন হার্দিক। বান্ধবী মাহিকা শর্মার সাথে ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটাতেও দেখা যায় তাকে। দুজনে একসাথেই মাঠে নাচতে শুরু করেন আনন্দে। এই ছবি সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছিল সমালোচনা। অনেকেই মনে করেছিলেন দলের বাকি ক্রিকেটারদের সাথে উদযাপন করার পরিবর্তে বান্ধবীর হাত ধরে ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটানো উচিত হয়নি হার্দিকের। তবে তার বিরুদ্ধে এবার যে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তা হল সরাসরি দেশকে অপমান করার। যে আইনজীবী হার্দিক এর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন তার স্পষ্ট বক্তব্য বান্ধবীর সাথে সময় কাটানোর মুহূর্তে হার্দিক গায়ে জড়িয়ে রেখেছিলেন ভারতের জাতীয় পতাকা। আর দেশের পতাকার অপমান পক্ষান্তরে দেশের অপমান। আইনজীবী ওয়াজিদ খান বলেন, “বিশ্বকাপ আমরা সবাই দেখেছি, আর জেতার পরে মাঠের ছবিটাও আমাদের কাছে স্পষ্ট। তবে বান্ধবীকে জড়িয়ে ধরে হার্দিক যখন আনন্দে নাচছিল, ওর পিঠে তখন ভারতের জাতীয় পতাকা বাঁধা। আনন্দে এতটাই বিভোর হয়ে পড়েছিল ও যে খেয়াল করেনি কখন মাটিতে শুয়ে পড়েছে এই অবস্থায়। ১৯৭১ সালের জাতীয় পতাকা আইনের দ্বিতীয় ধারা অনুযায়ী জাতীয় পতাকার গরিমাকে সম্মান করা প্রত্যেকটি ভারতীয়র কর্তব্য। এই অবমাননা আসলে দেশকে অপমান করা বলে আমার মনে হয়।” আরো জানা গেছে প্রথমে শিবাজি নগর থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন ওই আইনজীবী। যেহেতু বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে আহমেদাবাদের তাই পুনের এই থানার পুলিশরা প্রথমে অভিযোগ নিতে চাননি। কিন্তু জাতীয় পতাকা গোটা দেশের সম্পদ এই মর্মে দেশের যে কোন থানায় অভিযোগ জানানোর অধিকার আছে, জানিয়েই পুলিশকে অভিযোগ গ্রহণ করতে অনুরোধ করেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবী। শেষ পর্যন্ত হার্দিকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গৃহীত হয় বলেই জানানো হয়েছে। এখনো পর্যন্ত এই বিষয়ে মুখ খোলেননি হার্দিক নিজে।
