Connect with us

ক্রিকেট

এনসিএ’তে রিহ্যাব শুরু করলেন বুমরাহ

Published

on

রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দামামা বেজে গেছে। তার আগে সমর্থকদের স্বস্তি দিয়ে বেঙ্গালুরুর জাতীয় ক্রিকেট একাডেমিতে রিহ্যাব শুরু করলেন ভারতীয় দলের তারকা পেসার জসপ্রীত বুমরাহ। ফলে বোঝা যাচ্ছে আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তাঁকে খেলানোর পুরোপুরি চেষ্টা করছে বিসিসিআই। তবে এবারে বুমরাহকে নিয়ে ধীরে চলো নীতি নিয়েছে বোর্ড। যদিও বুমরাহকে যাতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলানো যায়, তাই আইসিসির নিয়মের একটি ফাঁককে কাজে লাগাতে চাইছে বিসিসিআই।

বিসিসিআই সূত্র জানা যাচ্ছে, ইতি মধ্যেই এনসিএতে হালকা ফিজিক্যাল ট্রেনিং শুরু করেছেন বুমরাহ। যদিও তিনি শরীরের উপরে বেশি জোর দিচ্ছেন না। আর বুমরাহর এই শারীরিক কসরত দেখেই বোঝা যাচ্ছে, অস্ত্রোপচার ছাড়াই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। এই ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিসিসিআই কর্তা বলেন, ২০২৩ একদিনের বিশ্বকাপ চলাকালীন হার্দিক পান্ডিয়া এবং শুভমন গিলকে নিয়ে বোর্ড যে পথে এগিয়েছিল, ঠিক সেভাবেই বুমরাহর ক্ষেত্রেও এগোতে চান কর্তারা।

তিনি বলেন,”বিসিসিআই মনে করছে, বুমরাহর যদি এক শতাংশও খেলার সম্ভাবনা থাকে, সে ক্ষেত্রেও তার জন্য অপেক্ষা করবে ম্যানেজমেন্ট। ২০২৩ একদিনের বিশ্বকাপের সময় হার্দিকের পরিবর্ত হিসেবে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার নাম ঘোষণা করার আগে, প্রায় দু’সপ্তাহ অপেক্ষা করেছিল বোর্ড। সেই সময় শুভমন অসুস্থ হলেও, তাঁর বিকল্প নেওয়ার কথা না ভেবে অপেক্ষা করেছিল বিসিসিআই। বুমরাহর ক্ষেত্রেও সম্ভবত সেই একই পথ অনুসরণ করা হবে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দল ঘোষণা করার ক্ষেত্রে একটি সময়সীমা রয়েছে। যদি একান্তই বুমরাহ না খেলতে পারেন সে ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল কমিটির কাছে আবেদন করে পরিবর্ত নেওয়া যাবে। বিসিসিআই সেই পথেই এগোতে চাইছে।”

ক্রিকেট

গিলের রেকর্ড ডাবল সেঞ্চুরি, ৪০৬ রান তাড়া করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাল ভারত

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: গুয়াহাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় এক দিনের ম্যাচে রানের বন্যা। ক্যারিবিয়ানদের করা ৪০৫ রানের পাহাড় টপকে আট উইকেটে ম্যাচ জিতল ভারত। ৩৯ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা।
ভারতের জয়ের নায়ক অধিনায়ক শুভমন গিল। মাত্র ১১৭ বলে দ্বিশতরান করে এক দিনের ক্রিকেটে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৩৩ বলে ২২৩ রানে অপরাজিত থাকেন গিল। এক দিনের ক্রিকেটে এটি তাঁর দ্বিতীয় দ্বিশতরান।
গিলের সঙ্গে শুরুটা দুর্দান্ত করেন রোহিত শর্মা। ৭২ বলে শতরান করে তিনি পেরিয়ে যান ১২ হাজার এক দিনের রানের মাইলফলক। গিল-রোহিতের উদ্বোধনী জুটিতে ওঠে ২৫৫ রান। রোহিত ১০১ রানে আউট হওয়ার পর বিরাট কোহলি ১৯ বলে ২৯ রান করেন। পরে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ৩১ রানে অপরাজিত থেকে গিলের সঙ্গে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন।
এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ৪০৫ রান তোলে। জন ক্যাম্পবেল, শাই হোপ এবং আমির জাঙ্গু—তিন ব্যাটারই শতরান করেন। এক দিনের ক্রিকেটে একই ইনিংসে তিন ব্যাটারের শতরান করার ঘটনা এটি মাত্র ষষ্ঠবার।
হোপ ২০তম এক দিনের শতরান করেন, আর জাঙ্গু করেন ৭৭ বলে ১১৪। কিন্তু ক্যারিবিয়ানদের রেকর্ড স্কোরও শেষ পর্যন্ত ঢেকে যায় গিলের বিধ্বংসী দ্বিশতরানে।

Continue Reading

ক্রিকেট

কোহলির সামনে সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি, হাতে কত ম্যাচ?

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডেতে দুরন্ত শতরান করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিরাট কোহলির সেঞ্চুরির সংখ্যা এখন ৮৬। কিংবদন্তি শচীন তেন্ডুলকরের ১০০ আন্তর্জাতিক শতরানের রেকর্ড ছুঁতে হলে আরও ১৪টি সেঞ্চুরি প্রয়োজন তাঁর। তবে প্রশ্ন, সেই মাইলফলকে পৌঁছনোর মতো পর্যাপ্ত ম্যাচ কি হাতে রয়েছে কোহলির?
টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি থেকে ইতিমধ্যেই অবসর নিয়েছেন কোহলি। আগামী বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে চলা ওয়ানডে বিশ্বকাপকেই নিজের শেষ বিশ্বকাপ হিসেবে দেখছেন তিনি। ফলে এখন তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ মূলত ওয়ানডে ফরম্যাটেই সীমাবদ্ধ।
বর্তমান সূচি অনুযায়ী, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজের বাকি দুই ম্যাচের পর নভেম্বরের শুরুতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচটি ওয়ানডে খেলবে ভারত। ডিসেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিনটি এবং আগামী জানুয়ারিতে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে তিনটি ওয়ানডে রয়েছে। অর্থাৎ বিশ্বকাপের আগে ঘোষিত সূচিতে আরও ১৩টি ম্যাচ রয়েছে ভারতের।
এরপর আগামী বছরের জুন-জুলাইয়ে ওয়ানডে ফরম্যাটে এশিয়া কাপ রয়েছে। ফাইনালে উঠলে সেখানে সর্বোচ্চ ছয়টি ম্যাচ খেলতে পারে ভারত। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের আগে কোহলির সামনে প্রায় ১৯টি ওয়ানডে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বকাপে ভারত অন্তত ১০টি ম্যাচ খেলবে। সেই হিসেবে বিশ্বকাপ পর্যন্ত কোহলির হাতে মোটামুটি ২৫ থেকে ৩০টি ওয়ানডে আসতে পারে।
এই সময়ের মধ্যে ১৪টি শতরান করা নিঃসন্দেহে কঠিন পরিসংখ্যান। তবে কোহলি যদি ধারাবাহিকভাবে রান করতে পারেন, তাহলে ১০০ আন্তর্জাতিক শতরানের লক্ষ্যে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তাঁর সামনে রয়েছে। এখন দেখার, শেষ বিশ্বকাপের আগে সেই অসম্ভবকে সম্ভব করার পথে কতটা এগোতে পারেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক।

Continue Reading

ASIAN GAMES

ASIAN GAMES 2026: এশিয়ান গেমসে কোয়ার্টারে ভারত, প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: এশিয়ান গেমসের পুরুষদের ক্রিকেটে কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। ২৮ সেপ্টেম্বর নিসিনে হবে ভারত-আফগানিস্তান শেষ আটের লড়াই। শনিবার নেপাল-জাপান ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ার পরই নির্ধারিত হয়ে যায় পুল ‘এ’-র সমীকরণ। গ্রুপের শীর্ষে থেকে নেপাল এবং দ্বিতীয় দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় আফগানিস্তান। অন্য দিকে, জাপানের অভিযান শেষ হয়ে যায়।

নিসিনে প্রথমে ব্যাট করে ১৫ ওভারে চার উইকেটে ১৪৯ রান তোলে নেপাল। কিন্তু জাপানের ইনিংস শুরু হওয়ার আগেই ফের বৃষ্টি নামে। শেষ পর্যন্ত আর খেলা সম্ভব হয়নি। ফলে নেপাল পুল ‘এ’-র শীর্ষস্থান নিশ্চিত করে এবং আফগানিস্তান পায় কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট।

নেপালের ইনিংসের শেষ দিকে ঝড় তোলেন সন্দীপ জোরা এবং লোকেশ বাম। ১০ ওভারে চার উইকেটে ৮৪ রান থেকে দলকে বড় রানে পৌঁছে দেন তাঁরা। তিন নম্বরে নেমে জোরা ৩২ বলে অপরাজিত ৫৭ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার এবং তিনটি ছক্কা। বাম আরও বিধ্বংসী। মাত্র ২২ বলে অপরাজিত ৫২ রান করেন তিনি। ছক্কা ছয়টি, চার একটি।

এর আগে নেপালকে দ্রুত শুরু এনে দেন আসিফ শেখ। ১৫ বলে ২১ রান করে জোরা-র সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৫৫ রানের জুটি গড়েন তিনি। তবে নেপালের শুরুটা খুব একটা মসৃণ ছিল না। কুশল ভুর্তেল, কুশল মাল্লা এবং গুলসান ঝা একক অঙ্কের রানেই ফিরে যান।

ফলে ১৫ ওভারে ১৫০ রানের কঠিন লক্ষ্য নিয়ে নামার কথা ছিল জাপানের। কিন্তু তাঁদের রান তাড়া শুরু হওয়ার আগেই বৃষ্টি ম্যাচের ভাগ্য লিখে দেয়। পরিত্যক্ত হয় ম্যাচ।

এই ফলেই পুল ‘এ’-র শীর্ষে উঠে নেপাল। দ্বিতীয় দল হিসেবে আফগানিস্তান কোয়ার্টার ফাইনালে যায়। জাপানের এশিয়ান গেমস অভিযান শেষ হয়ে যায়।

টুর্নামেন্টে অবশ্য জাপান বেশ কিছু ইতিবাচক মুহূর্ত তৈরি করেছিল। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে বল হাতে নজর কেড়েছিল তারা। এশিয়ান গেমসের আগে ভারতের বিরুদ্ধে একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও লড়াই করেছিল জাপান। তবে ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাব শেষ পর্যন্ত তাদের পিছনে ফেলে দেয়।

এ বার ভারতের সামনে আফগানিস্তান। ২৮ সেপ্টেম্বর নিসিনে কোয়ার্টার ফাইনালে জিতলেই সেমিফাইনালের দরজা খুলবে ভারতের সামনে।

Continue Reading

Trending