ফুটবল

ভবানীপুরের বাঙালি ব্রিগেডের সামনে আত্মসমর্পণ মোহনবাগানের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: সাহিল হরিজন ও রবি হাঁসদার গোলে শুক্রবার মোহনবাগানকে ১-২ গোলে হারাল ভবানীপুর। প্রি-সিজন অনেক আগে শুরু করলেও কলকাতা লিগে পুরনো সমস্যাতেই ফিরল মোহনবাগান। টানা দুই ম্যাচে হার তাদের পরের পর্বের লড়াইকে কঠিন করে তুলেছে। ডুরান্ড কাপে উজ্জ্বল কিয়ান নাসিরি ও সুহেল ভাট কলকাতা লিগে এখনও নিজেদের সেরা ছন্দ খুঁজে পাচ্ছেন না। বিশেষ করে ডুরান্ডের শেষ ম্যাচে জোড়া গোল করা সুহেল এদিন বক্সের আশপাশে কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। ম্যাচ শেষে গ্যালারি জুড়ে উঠল গো ব্যাক স্লোগান। প্রশ্ন উঠছে কোচ হিসাবে বাস্তব রায়ের ভূমিকা নিয়েও।
শুরু থেকেই ম্যাচের ছন্দ ছিল ভবানীপুরের দখলে। ১৭ মিনিটে সুহেলের পাস থেকে কিয়ান নাসিরির গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। ২৪ মিনিটে শুভঙ্করের শট অসাধারণ দক্ষতায় আটকে দেন গোলরক্ষক দ্বিপ্রভাত। ৩৫ মিনিটে বারে লেগে ফিরতে হয় মোহনবাগানকে। বিরতির আগেই সাহিলের নিশ্চিত গোলও রুখে দেন দ্বিপ্রভাত।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় ভবানীপুর। ৭০ মিনিটে অভিষেকের ফ্রি-কিক এবং ফিরতি বলে কুন্তলের শট—দুটোই বাঁচিয়ে দলকে ম্যাচে রাখেন দ্বিপ্রভাত। তবে দীপেন্দুর চোটে মাঠ ছাড়া মোহনবাগানের রক্ষণে বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়ায়। সেই সুযোগেই ৮০ মিনিটে সাহিল গোল করে ভবানীপুরকে এগিয়ে দেন। ছয় মিনিট পরে বিভানের গোলে সমতা ফিরলেও, সেই গোলের নেপথ্যে ছিল প্রতিপক্ষ রক্ষণভাগের ভুল। ৮৭ মিনিটে রবি হাঁসদার দূরপাল্লার দুরন্ত শট ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

ম্যাচের পর ভবানীপুর কোচ রঞ্জন চৌধুরী বলেন, “মোহনবাগানকে আমি আগেও হারিয়েছি, আবার হারালাম। মোহনবাগান বড় ক্লাব, ওদের অনেক সুবিধা। তবে আমাদের ছেলেরা দুর্দান্ত ফুটবল খেলেছে।” পাশাপাশি তাঁর প্রশ্ন, “যদি এটা ডেভেলপমেন্ট টিম হয়, তাহলে সেখানে ২৮-২৯ বছরের ফুটবলার খেলছে কীভাবে?” ম্যাচসেরা সাহিল বলেন, “আমি এই বিষয়ে মুখে কিছু বলব না। মাঠে করে দেখাব, সেখান থেকেই মানুষ উত্তর পাবে।” রবি হাঁসদার কথায়, “মোহনবাগান আমার প্রিয় দল। তাদের বিরুদ্ধে গোল করতে পেরে ভালো লাগছে।” অন্যদিকে মোহনবাগান কোচ বাস্তব রায়ের আক্ষেপ, “আমার দুই প্রধান ডিফেন্ডার চোট পেয়ে উঠে যাওয়াতেই ম্যাচটা ঘেঁটে গেল। তারপরও আমরা জিততে পারতাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version