রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : দর্শকশূন্য হওয়ার কথা ছিল মোহনবাগানের এই ম্যাচ। পরে অর্ধেক সংখ্যক সমর্থক আসার অনুমতি পায় মোহনবাগান। আর সেই সবুজ-মেরুন সমর্থকদের সামনেই ফের একবার নিজের জাত চেনালেন জেমি ম্যাকলারেন। তাঁর গোলের উৎসবে ধ্বংস হয়ে গেল ওড়িশা এফসি। মোহনবাগান জিতল ৫-১ গোলে। একাই চার গোল করলেন এই অজি ফুটবলার। একটি গোল আলবার্তো রড্রিগেজের। শুরু থেকেই মোহনবাগানের পাসিং ফুটবলে নাজেহাল হয়ে যাচ্ছিল ওড়িশা। জেমি-দিমি-কামিন্স ত্রিফলা ক্রমশ ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছিল। ম্যাচের ১৪ মিনিটেই দিমির ব্যাক হিলে বাম-প্রান্ত থেকে শুভাশিসের বাড়ানো বলে হেডে গোল করে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন জেমি। তার ঠিক ১০ মিনিট পরেই ফের দিমির ফ্রি-কিকের বাড়ানো বল, লিস্টন পাঠান ডি-বক্সে। সেখান থেকে দ্বিতীয় গোল জেমির। এরপর আরও জোরালো হতে থাকে মোহনবাগানের আক্রমন। ৪২ মিনিটে আলবার্তোর দূরপাল্লার শট অমরিন্দরকে বোকা বানিয়ে জালে জড়ায়। এরপরে অবশ্য মেহতাব এবং গোলরক্ষক বিশাল কেইথের ভুল বোঝাবুঝির জন্যে এক গোল হজম করতে হয় মোহনবাগানকে। ওড়িশার হয়ে গোলটি করেন রহিম আলি। তবে প্রথমার্ধের সংযুক্ত সময়ে এই মরশুমের প্রথম হ্যাটট্রিক করেন ম্যাকলারেন। একক প্রচেষ্টায় বিপক্ষ দলের ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে লিস্টনের বাড়ানো বল জালে জড়াতে ভুল করেননি জেমি। প্রথমার্ধে ৪-১ স্কোরলাইন নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাগান শিবির।দ্বিতীয়ার্ধে মেহতাবের জায়গায় আসেন টম অলড্রেড। কামিন্স এই ম্যাচে সেভাবে জ্বলে না ওঠায় তাঁর জায়গায় নামানো হয় মনবীর সিংকে। ওড়িশা সুযোগ তৈরির চেষ্টা করলেও বার বার প্রতিহত হতে হয় টম- আলবার্তোদের কাছে। এরপরেই নির্ধারিত সময়ের দু মিনিট আগে মেহতাবের বাড়ানো বল ধরে ডান দিক থেকে নেওয়া জোরালো শটে দলের পঞ্চম এবং নিজের চতুর্থ গোল করেন জেমি। এই নিয়ে টানা দুই ম্যাচে ৫টি করে গোল করল মোহনবাগান। যার ফলে চার ম্যাচে জিতে গোল পার্থক্যে অন্যান্য দলের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে লিগ শীর্ষে সবুজ-মেরুন।
