রে স্পোর্টজের ওয়েবডেস্ক: আইএসএলে সর্বোচ্চ গোল ব্যবধানে ম্যাচ জিতে ইতিহাস গড়ল ইস্টবেঙ্গল। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মহামেডানের বিরুদ্ধে ৭-০ গোলে জয় পেল ইস্টবেঙ্গল। এর আগে ৬-১ গোলে মুম্বই সিটি জিতেছিল হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধে। যদিও আরও গোল পেতে পারত ইস্টবেঙ্গল,হ্যাটট্রিক করতে পারতেন ইউসেফ ইজ্জেজারি। ম্যাচের স্কোর দুই সংখ্যায় গেলেও অবাক হওয়ার জায়গা ছিলনা। শুরু থেকেই মহামেডানের ডিফেন্সের দুর্বলতার সূযোগ নিয়ে আক্রমণে ঝড় তোলে ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ২ মিনিটের মধ্যেই পর পর দুটি সুযোগ হেলায় হারান ইস্টবেঙ্গল আক্রমণ ভাগের ফুটবলারেরা। তবে নিজেদের বক্সে বারবার পায়ের জঙ্গল তৈরি করছিল মহামেডান ফুটবলারেরা। ৬ মিনিটের মাথায়ে বক্সের বেশ বাইরে থেকে দুরপাল্লার সটে বল জালে জড়ান আনোয়ার আলি। গোল বাড়িয়ে নিতে একের পর এক আক্রমণ চালায় ইস্টবেঙ্গল। ১২ মিনিটে একক দক্ষতায় মিগুয়েল বক্সে ঢুকে গেলে তাকে আটকাতে ফাউল করে বসেন মহামেডান ফুটবলারেরা। পেনাল্টি পেলে স্পট থেকে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি ইউসেফ ইজ্জেজারি। ১৪ মিনিটের মধ্যেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। ৩৫ মিনিটে বক্সের ভিতরে এডমুন্ডকে আবার অবৈধভাবে ফাউল করেন মহামেডানের জোসেপ ফলে দ্বিতীয়বার পেনাল্টি পায় ইস্টবেঙ্গল। লাল কার্ড দেখেন জোসেপ।এবার বল জালে জড়ান সউল ক্রেসপো। ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ঝাঁঝ বজায় রাখে ইস্টবেঙ্গল। ৪৯ মিনিটে গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করে ইউসেফ। ৫৩ মিনিটে মহামেডানের ডিফেন্সের ভুলে সহজ সুযোগ পায় মিগুয়েল, তাকে আটকাতে চেষ্টা করলে আবারও পেনাল্টি পায় ইস্টবেঙ্গল, নিজের দ্বিতীয় এবং দলের হয়ে চতুর্থ গোল করে ইউসেফ। ৬৮ মিনিটে ফ্রিকিক থেকে গোলের চেষ্টা করেছিল ফারদিন তবে লক্ষ্যে স্থীর থাকতে পারেননি। ৭৫ মিনিটে দলের হয়ে পঞ্চম গোল করেন পিভি বিষ্ণু। মিগুয়েলের কর্নার থেকে ভাসিয়ে দেওয়া বল থেকে গোল পান তিনি। ৭৮ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলকে ৬-০ গোলে এগিয়ে দেয় আনোয়ার আলি। নিজের দ্বিতীয় গোল করেন আনোয়ার। ৭-০ করেন নন্দা কুমার। বেশ কিছু বল বাঁচিয়ে দলের লজ্জা বাচান মহামেডান গোলকিপার পদম ছেত্রি। এই জয়ের ফলে বেঙ্গালুরু এফসিকে গোল পার্থক্যে টোপকে চতুর্থ স্থানে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল। আন্তর্জাতিক বিরতির পর জমে যাবে আইএসএল চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই,সে কথা বলাই যায়।
