রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: মহামেডানের বিরুদ্ধে জয়ের সারণীতে ফিরে আসতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল। কোচ অস্কার ব্রুজোও জয়ে ফিরে আসতে আশাবাদী। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, “ম্যাচ দুই দিন পিছোনোর ফলে ট্যাকটিক্যাল প্রস্তুতির জন্য বাড়তি সময় পেয়েছি। মৌসুমের শুরুর স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনাই আমাদের লক্ষ্য। ধীরে ধীরে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা দলে ফিরছে, যা আমাদের শক্তি বাড়াবে। মহামেডান এসসি কঠিন প্রতিপক্ষ, তাদের যথেষ্ট সম্মান করি। তবে টেবিলের শীর্ষে থাকা দলের সঙ্গে ব্যবধান কমানোর বড় সুযোগ আমাদের সামনে, তাই টেকনিক্যাল ও ট্যাকটিক্যাল উন্নতিতেই জোর দিচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন “মহামেডান দলে বিদেশি না থাকলেও তাদের হালকাভাবে নিলে ভুল হবে,আমি কঠিন ম্যাচেরই প্রত্যাশা করছি। আমাদের ফোকাস ট্যাকটিক্যাল প্রস্তুতি, আধিপত্য তৈরি এবং সুযোগ কাজে লাগানো; সেটাই জয়ের মূল মন্ত্র হয়ে উঠবে। “
ড্রেসিং রুমের পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, “বাইরের আলোচনা নয়, দলের ভেতরের স্থিতিশীলতা ও উন্নতিই আমাদের মূল ফোকাস। ইস্টবেঙ্গল এফসির জন্য সেরা মৌসুম গড়াই লক্ষ্য, তবে শুধুমাত্র শিরোপার চাপ নয়—প্রতিটি ম্যাচে পারফরম্যান্সই গুরুত্বপূর্ণ। এই লিগে ছোট ভুলেই ম্যাচের ফল বদলে যায়, তাই ৯০ মিনিটের মনোযোগ, লড়াই ও ধারাবাহিকতা জরুরি। আমরা আক্রমণ এবং বিশেষ করে রক্ষণকে আরও শক্ত করার দিকেই কাজ করছি।”
দলে যথাযথ লেফট ব্যাক থাকলেও কেন সেই জায়গায় বিষ্ণুকে ব্যবহার করলেন আগের ম্যাচে জানতে চাওয়ায় তার বক্তব্য,“আমরা কোনো ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করছি না—প্রতিপক্ষ বিশ্লেষণ করে টেকনিক্যাল সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই দলকে এগিয়ে নিচ্ছি। চোটের কারণে, বিশেষ করে রক্ষণে, ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কঠিন ছিল। তবে এই সপ্তাহে পরিস্থিতি ইতিবাচক। এখন আমাদের লক্ষ্য স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, সঠিক কম্বিনেশন তৈরি করা এবং প্রতিটি ম্যাচে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা।”
সবশেষে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে তিনি জানান,“তাদের হতাশা আমরা বুঝি। আমাদের লক্ষ্য লড়াই করে,মাঠে নিজেদের সবটা উজাড় করে জয় দিয়ে সমর্থকদের খুশি করা।
