অঙ্কন কর, আহমেদাবাদ : ২০২৩ সালে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার কাছে বিশ্বকাপ ফাইনালে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ভারতের। দুই বছর পর সেই আক্ষেপই মুছে দিলেন সূর্যকুমার যাদবের দল। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডকে দুরমুশ করে তৃতীয়বারের মতো টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতল ভারত। পাশাপাশি বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে পরপর দুই বার এই শিরোপা জয়ের কৃতিত্বও গড়ল তারা।
দেশকে বিশ্বজয়ের স্বাদ এনে দিয়ে তৃপ্ত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, “এই অনুভূতি সত্যিই অদ্ভুত। এটা দীর্ঘ এক প্রক্রিয়ার ফল। দলের সকলে আমার উপর ভরসা রেখেছিল। আজ তারই ফল পেলাম।” সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর কথায় স্পষ্ট, শিরোপা জিতেও পা রয়েছে মাটিতেই। সূর্য আরও বলেন, “এই আবেগ পুরোপুরি অনুভব করতে হয়তো আরও কিছুটা সময় লাগবে। তবে আজ আমি খুব খুশি। আমাদের দলে অনেকেই ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা রাখে, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।”
মহারণে কিউইদের বিরুদ্ধে ভারতের অন্যতম নায়ক সঞ্জু স্যামসন। গোটা প্রতিযোগিতাজুড়ে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন তিনি। অল্পের জন্য শতরান হাতছাড়া হলেও প্রতিযোগিতার সেরা ক্রিকেটারের সম্মান উঠেছে তাঁর হাতেই। আবেগঘন কণ্ঠে সঞ্জু বলেন, “আজকের রাতটা যেন স্বপ্নপূরণের মতো। দুই বছর আগে বিশ্বজয়ী দলের সদস্য হিসেবে এই স্বপ্ন দেখেছিলাম। আজ সেই স্বপ্ন সত্যি হল।”
ব্যাট হাতে সঞ্জু নজর কাড়লেও বল হাতে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন জসপ্রীত বুমরাহ। তাঁকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন অধিনায়কও। সূর্য বলেন, “বুমরাহ এই প্রজন্মের সেরা বোলার। এমন বোলার খুব কমই জন্মায়। সে আমাদের দেশের সম্পদ।”
ফাইনালে সেরা ক্রিকেটারের সম্মান পেয়ে বুমরাহ বলেন, “একটা আক্ষেপ মিটল। দুই বছর আগে এখানেই শিরোপা হাতছাড়া হয়েছিল। বাড়তি কিছু ভাবিনি, নিজের অভিজ্ঞতা আর দক্ষতার উপরই ভরসা রেখেছিলাম।”
