রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: বিশ্বকাপে টানা ১২ ম্যাচ জয়ের দাপট থামল সুপার এইটে। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সুপার এইট ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭৬ রানে হারল ভারত। এবারের বিশ্বকাপ অভিযান দুর্দান্ত শুরু করলেও আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ছন্দ হারালেন সূর্যকুমার যাদবরা।
টসে জিতে ভারতকে বল করতে পাঠান মার্করাম। সূর্যকুমার যাদব জানান, তিনি প্রথমে ব্যাট করতে চেয়েছিলেন। তবে টসটা যে ফ্যাক্টর হলো তার প্রমাণ মিলল। ২০ রানে তিন উইকেট হারিয়েও ব্রেভিস ও মিলারের জুটি ৫০ বলে ৯৭ রান তুলে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয়। দক্ষিণ আফ্রিকা করে ১৮৭ রান। ভারতের হয়ে জশপ্রীত বুমরাহ চার ওভারে ১৫ রানে তিন উইকেট নেন। অর্শদীপ নেন দুটি, একটি করে উইকেট বরুণ চক্রবর্তী ও শিবম দুবের।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধ্বস নামে। ঈশান কিষান ও তিলক বর্মা দ্রুত ফেরেন। অভিষেক শর্মা করেন ১৫ রান। ১৪তম ওভারে তিন বলে হার্দিক পান্ডিয়া, রিঙ্কু সিং ও অর্শদীপ সিংয়ের বিদায়েই ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। শিবম দুবের ৪২ রানের লড়াই সত্ত্বেও ১৮.৫ ওভারে ১১১ রানে গুটিয়ে যায় ভারত।
এই হারের পর প্রশ্ন উঠছে দল নির্বাচন নিয়ে। অক্ষর প্যাটেলের মতো অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার ও সহ-অধিনায়ককে বাইরে রেখে ওয়াশিংটন সুন্দরকে খেলানোর সিদ্ধান্ত কতটা সঠিক ছিল, সুন্দরকে উপরের দিকে তুলে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। ব্যাটে বলে প্রভাবও ফেলতে পারেননি তিনি।
পিচ নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। টসে জিতে আগে ব্যাট করা দল স্পষ্ট সুবিধা পেয়েছে। প্রথম ইনিংসে বল তুলনামূলকভাবে ব্যাটে সহজে আসলেও দ্বিতীয় ইনিংসে গতি ও বাউন্স বদলে যায়। বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন পিচ, যেখানে টস কার্যত ম্যাচ নির্ধারক হয়ে ওঠে, তা কতটা গ্রহণযোগ্য? অন্য ভেন্যুগুলিতে যেখানে ব্যাটিং সহায়ক পিচ দেখা যাচ্ছে, সেখানে এখানে ভিন্ন আচরণ কেন? সেই প্রশ্নও উঠছে জোরাল ভাবে।
